কোয়ান্টাম ১৩: কোয়ান্টাম মাল্টিভার্স



কোয়ান্টাম ১৩
কোয়ান্টাম মাল্টিভার্স

আজকে আইনস্টাইনের জন্মদিন উপলক্ষে এই বিশেষ লেখা।

১।
ড্রাগের চালান আসছে। অনেক টাকার ডিল। মিঙ্কোভস্কি খুব ব্যাস্ত। একটু ওলট পালট হলে খবর আছে।
লর্ড আলবার্ট ভয়ঙ্কর মানুষ। কাউকে কোনোদিন ভুল করার কারণে ক্ষমা করেছেন শোনা যায় নি। তাঁর কাছে লাইফ ইজ বিজনেস।
এই লোক লেজেন্ড। আই কিউ লেভেল ১৬০ এর উপর। ৩০টা বোমা আর আগ্নেয়াস্ত্রের আবিষ্কারক। আন্ডারয়ার্ল্ড তাঁর নামে থরথর করে কাঁপে।
আসল নাম ছিল আলবার্ট আইনস্টাইন। শেষ নামটা আজকাল কেউ মুখে আনে না। এখন সে শুধুই লর্ড আলবার্ট।
মাঝে মাঝে মিঙ্কোভস্কির হতাশ লাগে। এই লোক ভালো কাজ করলে কত কিছুই না হতে পারত! ২৬ বছর বয়সে যখন সে সে চাকরি বাকরি না পেয়ে যখন সে প্রচণ্ড হতাশ, পা বাড়ায় পাপের পথে। বাকিটা ইতিহাস।

২।
সবাই গম্ভীর মুখে বসে আছে। একটু পর মঞ্চে আসবেন পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যাক্তি স্যার আলবার্ট। আস্টেরয়েড মাইনিং করে ট্রিলিওনিয়ার হয়েছেন। তাঁর কোম্পানি স্পেস এক্স এখন পৃথিবীর এক নাম্বার কোম্পানি। কি নেই অ্যালবার্টের!
অ্যালবার্টের কি নেই সেটা আলবার্ট ভালো জানেন। একসময় তাঁর মাথাভরতি ঝাঁকরা চুল ছিল। ২৬ বছর বয়সে তীব্র হতাশ অবস্থায় মাথা ঠাণ্ডা করতে গিয়ে একদিন তাঁর প্রেমিকা সুদূর বাংলাদেশ থেকে কদুর তেল এনে দেয়।
বাকিটা ইতিহাস!

৩।
সুইজারল্যান্ডের এই প্যাটেন্ট অফিসটা অভিশপ্ত। সন্ধ্যার পর তার আশেপাশে কেউ পা বাড়ায় না। সেখানে নাকি পিশাচ ঘুরে বেড়ায় রাতে। তার তীক্ষ্ণ শ্বদন্ত ঝিলিক দিয়ে ওঠে মানুষ দেখলে।
কাহিনীগুলো সত্যি মিথ্যা কেউ জানে না। শুধু জানে, অনেক অনেক বছর আগে এখানে ২৫ – ২৬ বছরের এক ঝাঁকরা চুলের যুবক কাজ করত। তার মাথায় নাকি গিজগিজ করত আইডিয়া। প্যাটেন্ট অফিসে কেরানির কাজ করতে করতে ছটফট করত। ওই সময় সে নাকি বিজ্ঞানের কি সব উদ্ভট আইডিয়া নিয়ে তিনটা পেপার লেখে।
সময় নাকি থেমে যায়, আলো নাকি কণা এইসব হাবিজাবি।

তিনটা পেপারই রিজেক্ট খায়। মাথা খারাপ না হলে কেউ এইসব কথা লেখে?
পরদিন সকালে প্যাটেন্ট অফিসের পাশে রাস্তায় পাওয়া যায় যুবকের রক্তমাখা লাশ। তার নামটা এখন আর কারো মনে নেই।
তবে, বাকিটা ইতিহাস।

৪।
মাল্টিভার্সের যতগুলো থিওরি আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে সম্ভব আর লজিক্যাল হলো কোয়ান্টাম মাল্টিভার্স।
একটা কণার একটাই ইতিহাস।
ভবিষ্যৎ হতে পারে একই সাথে অনেক!

সামনে আসছে প্রফেসর সমারফিল্ড। সাথে থাকেন।
(চলবে)

Leave a Reply