এক্সো



এক্সো

সৌরজগতের বাইরের প্ল্যানেটগুলোকে বলে এক্সোপ্ল্যানেট। পরপর কয়েকটা সিরিয়াস টাইপের লেখা লেখে মাথা ঝিমঝিম করছে, একটু ফ্রেশ হওয়ার জন্য ঘুরে আপনাদের ঘুরিয়ে আনবো এক্সোপ্ল্যানেটগুলো থেকে।

আপনি প্রেতশাধক। শয়তানের পূজারি। ভ্যাম্পায়ার উপাসক। গোরস্থান শ্মশান আপনাকে চুম্বকের মতো টানে 🙁
আপনার জন্য আইডিয়াল প্ল্যানেট হবে ট্রেস 2B. কুচকুচা কালো প্ল্যানেট, কয়লার চেয়েও বেশি কালো, আপনার কাল্টের লোকজনের গোপন মিটিঙের জন্য অস্থির জায়গা! শুধু একটু গরম সহ্য করার অভ্যাস থাকতে হবে, গ্রহটা লাভার চেয়েও বেশি গরম তো…

মেয়েদের জন্য খুব প্রিয় একটা জায়গা হতে পারে Gj 504 B. খটমটা একটা নাম হলেও এই প্ল্যানেটটা কিন্তু সেই কিউট, একেবারে পিঙ্ক কালারের। পিঙ্ক, চেরি ব্লসম, ম্যাজেন্টা, আরও কি কি হাজারটা রঙ যেগুলো মেয়েরা দেখতে পায় কিন্তু ছেলেদের চোখে পরে না, সব পাবেন এখানে। ল্যান্ড করা একটু কষ্ট হবে অবশ্য, প্ল্যানেটটা গ্যাসের তৈরি কিনা!

আপনি বিজনেস মেন্টালিটির মানুষ? টাকা ছাড়া কিচ্ছু বুঝেন না? কোয়াড্রিলিওন ডলারের কোম্পানি খুলতে চান? আপনাকে যেতে হবে ৫৫ ক্যাঙ্ক্রি ই তে (আর একটু সহজ নাম দেওয়া যায় না 🙁 )
এটা ডায়মন্ড প্ল্যানেট। ডায়মন্ড, নীলা, আর যত মণিমুক্তা দরকার সব পাবেন এখানে। আবারও গরম সহ্য করার ক্ষমতা থাকতে হবে, বেশি না, মাত্র ৪০০০ ডিগ্রির মতো। আসলে গরম সহ্য না করতে পারলে ইউনিভার্সের কোথাও খুব একটা টিকতে পারবেন না।

টাকা পয়সা ওয়ালা লোকদের শত্রু-টত্রু থাকে। শত্রুর বংশ রাখতে নেই। ক্যাঙ্ক্রিতে ডায়মন্ডের খোঁজে যাওয়ার আগে আপনার শত্রুটাকে বুঝিয়ে শুনিয়ে আমাদের ভিনাসে পাঠিয়ে দিন, প্রেমের দেবতার দেখা পাওয়া যাবে, খুবই রোম্যান্টিক পরিবেশ, এইসব বলে ভালমতো বুঝ দিতে পারলেই দেখবেন সে সুরসুর করে রাজি হয়ে যাবে। একবার ভিনাসে নিয়ে ফেলতে পারলেই হলোঃ ৪৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা তাকে ফ্রাই করবে, সালফিউরিক অ্যাসিড বৃষ্টি তাকে ঝাঁঝরা করবে তাতেও না মরলে উপরের বায়ুমণ্ডল তাকে চাপে চাপে চ্যাপ্টা করে ফেলবে।

শত্রু শেষ, হাতে আছে প্রচুর ডায়মন্ড, কোয়াড্রিলিওন ডলারের কোম্পানি একবার দাড় হয়ে গেলে গার্লফ্রেন্ডের কোন অভাব হবে না। কেপলার ১৬ B তে গার্ল ফ্রেন্ডকে সাথে নিয়ে যেয়ে জোড়া সূর্যের মোহোনীয় সুর্জাস্ত দেখতে পারেন তারপর। জায়গাটা কিন্তু খুব ঠাণ্ডা, প্রচুর পিকনিক ব্ল্যাঙ্কেট সাথে রাখতে হবে 🙂

Leave a Reply