নিকোলা টেসলা ভার্সেস আইনস্টাইন



নিকোলা টেসলা ভার্সেস আইনস্টাইন: বানী সমগ্র

একসময় তিনি ছিলেন বেশ আন্ডারররেটেড বিজ্ঞানী, এখন পৃথিবীর সবচেয়ে অভাররেটেড বিজ্ঞানী। তাঁকে নিয়ে আছে হাজার হাজার গুজব। এই নিয়ে কিছুদিন লেখাপড়া করলাম। কোরা, গুগল এইসব ঘাটাঘাটি আরকি।

আইনস্টাইন নাকি টেসলাকে পৃথিবীর সবচেয়ে বুদ্ধিমান মানুষ মনে করতেন। এর তেমন কোন প্রমাণ পেলাম না।

১৯৩১ সালে টেসলার ৭৫ তম জন্মদিন হয়। জন্মদিনে আইনস্টাইনকে জিজ্ঞাসা করা হয় টেসলার জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর কোন বানী আছে কিনা। আইনস্টাইন বলেন, “হাই ফ্রিকোয়েন্সি কারেন্টের একজন গুরুত্বপূর্ণ পথপ্রদর্শক হিসাবে, আমি আপনাকে অভিনন্দন জানাই আপনার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য। ”

এই সম্মানটুকু নিকোলা টেসলা কোনদিন আইনস্টাইনকে দেন নি। বিশের দশকে টেসলা আইনস্টাইনকে ব্যাঙ্গ করে একটা কবিতা লেখেন, ভাবানুবাদ এরকম

“খুব দুঃখের কথা, স্যার আইজ্যাক, ওরা এখন আপনার বিজ্ঞানকে উলটে পালটে ফেলতে চায়। লম্বা চুলের এক পাগল, আইনস্টাইন যার নাম, বলে কিনা আপনার আবিষ্কারগুলো ভুল। বলে কিনা, পদার্থ আর বল নাকি একই জিনিস!”

টেসলা থিওরি অভ রিলেটিভিটি বুখতেন না, মানতেনও না। থিওরি অভ রিলেটিভিটি সম্পর্কে তিনি ১৯৩৫ সালে বলেন, “অভিজাত কাপড় পড়া একটা ভিক্ষুক, যাকে সাধারণ লোকজন রাজা মনে করে। ” তিনি আরও বলেন, আইনস্টাইনের থিওরি অভ রিলেটিভিটি একটা অসাধারণ গাণিতিক আবর্জনা, যেটার ভুলগুলোর প্রতি মানুষ অন্ধ।

রিলেটিভিটি না বুঝাতে, আলোর বেগ যে চরম এটাও তিনি মানতেন না। ১৯৩১ সালে দাবী করে বসেন, সূর্য থেকে নাকি আলোর বেশি বেগে কণা বের হয়।

যাই হোক, টেসলা মারা যান ১৯৪৩ সালে। আর দুই বছর বাঁচলে আইনস্টাইনের ভর শক্তি সমীকরণের প্রমাণ নিজের চোখে দেখে যেতে পারতেন।

১৯৪৫ সালে প্রবল বিক্রম নিয়ে বিস্ফোরিত হলো পরমাণু বোমা, রিলেটিভিটি নিয়ে সাধারণ মানুষদের সব সন্দেহ উবে গেলো।

Nuclear Explosion With Orange Mushroom Cloud

রেফারেন্সঃ
https://www.quora.com/What-was-Einsteins-opinion-on-Nikola-Tesla

https://www.quora.com/Do-you-agree-with-Einstein-that-Tesla-was-the-smartest-human-being-on-the-planet

One thought on “নিকোলা টেসলা ভার্সেস আইনস্টাইন”

Leave a Reply