মিনি বিজ্ঞান ৫ : ভূত দেখার অতি সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা



ভূত দেখার অতি সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
১। স্লিপ প্যারালাইসিস হলে মানুষ ভৌতিক জিনিস দেখে।
২। সিজোফ্রেনিয়া হলে ব্রেইনে চেঞ্জ হয়। অনেক অদ্ভুত জিনিস দেখে।
৩। ডিসোদিয়েটিভ আইডেন্টিটি ডিজর্ডার হলে একই ব্রেইনে বিভিন্ন সময়ে আলাদা সত্ত্বা আসে। অথবা বলা যায়, মানুষের স্বত্বা অনেক ভাগে ভাগ হয়।
৪। স্প্লিট ব্রেইন সিন্ড্রোম হলে ব্রেইনের ডান আর বাম অংশে দুইটা আলাদা স্বত্বার জন্ম হয়।
৫। অনেক বাড়িতেই ইনফ্রাসনিক শব্দ থাকে। সেগুলো মানুষকে হ্যালুসিনেশান দেখায়।


৬। ম্যাগনেটিক ফিল্ড কর্টেক্সে প্রভাব ফেলে ভুত দেখাতে পারে। এটাও অনেক ভূতুড়ে বাড়ির কারণ।
৭। কর্টেক্সে সরাসরি সিগন্যাল দিয়ে ভুত দেখানো যায়।
৮। শৈশবের ট্রমা বা অ্যাবিউজ অনেক সময় মিথ্যা স্মৃতির জন্ম দেয়।
৯। মৃগী রোগ হলে মানুষের শক্তি অনেক বারে, অনেকে জীনে ধরেছে মনে ক্রে।
আমার লেখা ভুত বিষয়ক আর্টিকেলঃ
https://nayeem.science/2019/06/29/%e0%a6%ad%e0%a7%81%e0%a6%a4/

Leave a Reply