সায়েন্সভেঞ্চার: ৪৬০ কোটি বছরের ইতিহাস



বানর থেকে কি আসলেই মানুষ এসেছে? টি রেক্স কি আসলেই ছোটো হয়ে মুরগি হয়ে গেছে? আসলেই 

কি এককোষী প্রাণী থেকে সকল জীবের জন্ম? তাই যদি হয়, সেই এককোষী প্রাণী আসলো কীভাবে? কী বলে আসলে বিজ্ঞান?

এইসব হাই থটের কথাবার্তা চলবে, পাশে পাশে চলবে অ্যাডভেঞ্চার।

অ্যান্ট ম্যানের সমান ছোটো করে তোমাকে ছেড়ে দিয়ে আসবো মজা পুকুরে, আণুবীক্ষণিক দানবরা ডাইনোসরের সমান বিশাল হয়ে ধাওয়া করবে তোমাকে। প্রচণ্ড শক্ত একটা ড্রিল মেশিনে ভরে তোমাকে পাঠিয়ে দিব পৃথিবীর কেন্দ্রে, তোমাকে স্বাগত জানাতে আসবে নরক থেকে উঠে আসা হাজার বছরের পুরনো জীব। ঠান্ডায় তুমি ঠকঠক করে কাঁপবে ক্রায়োজেনিয়ানের জমাট বাঁধা বরফের পৃথিবীতে, বহু নিচে তোমার জন্য ওত পেতে থাকবে অমর প্রাণীরা। তুমি ঝাঁপ দেবে ডেভোনিয়ান সাগরের গভীরে, বিরাট বিরাট দাঁড়া নাড়িয়ে তোমাকে তাড়া করতে আসবে দানব বিছারা। বার্বিকিউ পার্টি দেবে জুরাসিকের ডাইনো ঘেরা জঙ্গলে, খাবারে ভাগ বসাতে আসবে ডাইনোরাজ অ্যালোসরাস। 

তারপর একদিন, বহু কোটি বছরের বিবর্তনে পৃথিবীতে আবির্ভাব হবে মানুষ নামের প্রজাতির। তখন তুমি হানা দেবে আদিম গুহামানবদের ডেরায়, তাদের সাথে গলা মিলিয়ে গাইবে চারশো ষাট কোটি বছরের বিবর্তনের গান।

এটা গল্পের বই।

বিজ্ঞানের গল্প।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *